ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ডিভোর্স সম্পন্ন হলে খোরপোশ বাবদ প্রায় ২৫০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক সাড়ে ৩৫০ কোটি টাকা) দাবি করেছেন সঙ্গীতা। পাশাপাশি চেন্নাইয়ের একটি সমুদ্রমুখী বাড়িও তার দাবির তালিকায় রয়েছে।
তবে জানা গেছে, বিজয় এই বিষয়টি আদালতের বাইরে সমঝোতার মাধ্যমে মীমাংসা করতে চান। তিনি খোরপোশ হিসেবে সর্বোচ্চ ৩৫ কোটি রুপি দিতে রাজি হয়েছেন বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। ফলে দুই পক্ষের দাবির মধ্যে বিশাল পার্থক্য থাকায় আলোচনা এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
এদিকে, রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণেও আইনি প্রক্রিয়া কিছুটা পিছিয়ে গেছে। আসন্ন তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত থাকায় নির্ধারিত শুনানি স্থগিতের আবেদন জানান বিজয়। আদালত তা মঞ্জুর করে আগামী ১৫ জুন পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেছে।
সব মিলিয়ে, এই বিচ্ছেদ ইস্যুতে খোরপোশের বড় অঙ্কই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তবে শেষ পর্যন্ত কী সমাধান হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।