মূল অ্যানিমেটেড সিনেমা মুক্তির মাত্র ১০ বছর পর ‘মোয়ানা’ (Moana)-র লাইভ-অ্যাকশন রিমেক কতটা যৌক্তিক ছিল, তা নিয়ে শুরুতেই বড় প্রশ্ন তুলেছেন হলিউড সমালোচকেরা। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটি দর্শকদের পরিচিত নস্টালজিয়া ফিরিয়ে দিলেও, নতুনত্বের দিক থেকে খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি বলে মনে করছেন তাঁরা।
ডিজনির এই নতুন লাইভ-অ্যাকশন রিমেকটি মোটেও ‘প্রয়োজনীয়’ ছিল না। তবে এর আগে ডিজনির যতগুলো লাইভ-অ্যাকশন রিমেক এসেছে, সেগুলোর ক্ষেত্রেও এই কথা প্রযোজ্য।
তাহলে এত দ্রুত কেন এই রিমেক তৈরি করা হলো? সিনেমাটিতে লিন-ম্যানুয়েল মিরান্ডার তৈরি করা ‘হাউ ফার আই উইল গো’-র মতো দুর্দান্ত এবং শক্তিশালী গানগুলো আবারও শুনতে ভালো লাগে। এর পাশাপাশি পলিনেশিয়ান এবং প্যাসিফিক আইল্যান্ডার সংস্কৃতির সুন্দর উপস্থাপন প্রশংসনীয় হলেও, তা একটি কাল্ট-ক্ল্যাসিক অ্যানিমেটেড ছবিকে এত তাড়াতাড়ি রিমেক করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী কারণ নয়।
ছবির মূল চরিত্র ‘মোয়ানা’ হিসেবে ক্যাথরিনা লাগা’আয়া (Catherina Laga’aia) এবং ‘মাউই’ চরিত্রে ডোয়েন জনসন (Dwayne Johnson)-এর অভিনয় দর্শকদের মন কাড়লেও, ছবির সামগ্রিক আবেদন সমালোচকদের পুরোপুরি সন্তুষ্ট করতে পারেনি। ছবিটিকে ৪ তারকার মধ্যে মাত্র ২ তারকা (২/৪ রেটিং) দেওয়া হয়েছে। অ্যাকশন, কিছু ভীতিজাগানিয়া দৃশ্য এবং হালকা রসবোধের কারণে মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশন (MPA) থেকে সিনেমাটিকে ‘PG’ রেটিং দেওয়া হয়েছে। ১ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট ব্যাপ্তির এই অ্যাডভেঞ্চার ড্রামাটি বর্তমানে বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে।