যৌনতা, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন নিয়ে তৈরি নির্মাতা গ্রেগ আরাকির নতুন ইরোটিক থ্রিলার
লস অ্যাঞ্জেলেসে সিনেমার প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডুয়েনিয়াস ব্যাখ্যা করেন যে, কিছু ঘনিষ্ঠ ও স্পর্শকাতর দৃশ্য ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে ১ থেকে ১০ মাত্রার একটি ‘পেইন স্কেল’ ব্যবহার করা হতো। এই পদ্ধতির মাধ্যমে অভিনয়শিল্পীদের পারস্পরিক যোগাযোগ যেমন সহজ ও মসৃণ হয়েছিল, তেমনি কাজের সময় দৃশ্যগুলোর বাস্তব রূপ দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের জন্য নিরাপদ পরিবেশও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
ছবিতে সদ্য স্নাতক শেষ করা তরুণ এলিয়ট চরিত্রে অভিনয় করেছেন কুপার হফম্যান, যে প্রভাবশালী গ্যালারিমালিক এরিকা ট্রেসির (অলিভিয়া ওয়াইল্ড) সঙ্গে এক জটিল ও অন্তরঙ্গ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এই সিনেমার মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো পর্দায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে কাজ করলেন কুপার। কাজটিকে চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে তিনি জানান, ভয় লাগলেও নতুন কিছু শেখার তাগিদ থেকেই তিনি পিছপা হননি।
ডুয়েনিয়াস আরও উল্লেখ করেন যে, অ্যাকশন দৃশ্যে যেমন স্টান্ট সমন্বয়কারীর প্রয়োজন হয়, তেমনি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটেও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সুরক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে তিনটি চরিত্রকে নিয়ে ধারণ করা একটি জটিল দৃশ্যে সঠিক ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল ও অবস্থান মেলাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল। নির্মাতা গ্রেগ আরাকি আশা করছেন, ছবিটির মাধ্যমে সম্পর্ক, যৌনতা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে দর্শক মহলে নতুন এবং ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি হবে।