এইচএইচটি এন্টারটেইনমেন্টের এই নতুন সিনেমা নির্মাণের ঘোষণাটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র প্রেমীদের মধ্যে এক ধরণের কৌতূহলী উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি তাদের এই আসন্ন প্রজেক্টটি নিয়ে প্রাথমিক যে ইঙ্গিত দিয়েছে, তা থেকে বোঝা যাচ্ছে যে তারা কেবল একটি প্রথাগত বাণিজ্যিক সিনেমা নির্মাণ করতে চাইছে না। বরং আধুনিক চলচ্চিত্র নির্মাণের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে একটি শক্তিশালী এবং বৈচিত্র্যময় গল্পের অবতারণা করাই তাদের মূল লক্ষ্য। সিনেমার নাম বা শিল্পী তালিকা এখনো গোপন রাখা হলেও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একটি 'ব্যতিক্রমধর্মী' অভিজ্ঞতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, যা দর্শকদের বড় পর্দার প্রতি আরও বেশি আগ্রহী করে তুলছে।
সাধারণত নতুন কোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যখন এমন গোপনীয়তা বজায় রেখে বড় কোনো প্রজেক্টের ঘোষণা দেয়, তখন চলচ্চিত্র পাড়ায় নানা ধরণের জল্পনা শুরু হয়। বিশেষ করে সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে কারা থাকছেন এবং পর্দার পেছনের কারিগর হিসেবে কোন পরিচালক দায়িত্ব পালন করবেন, তা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলাপ-আলোচনা চলছে। এইচএইচটি এন্টারটেইনমেন্ট তাদের এই প্রজেক্টের মাধ্যমে ঢালিউডের বর্তমান সুসময়ে নতুন এক মাত্রা যোগ করতে চায়। আধুনিক সিনেমাটোগ্রাফি এবং উন্নত স্টোরিটেলিংয়ের সংমিশ্রণে তারা দর্শকদের এমন কিছু উপহার দিতে বদ্ধপরিকর, যা সমসাময়িক বাংলা চলচ্চিত্রের ধারায় এক নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে।
খুব শীঘ্রই একটি আনুষ্ঠানিক এবং জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে সিনেমার নাম ও কাস্টিং প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এই সিনেমাটি কেবল স্থানীয় বাজারের জন্য নয়, বরং বিশ্বমানের নির্মাণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশের চলচ্চিত্রের সুনাম বয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। দর্শকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এইচএইচটি এন্টারটেইনমেন্ট যখন তাদের তুরুপের তাসটি প্রকাশ্যে আনবে, তখন বাংলা সিনেমার পালে নতুন হাওয়া লাগবে বলেই চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের ধারণা। আধুনিকতার ছোঁয়ায় ঘরোয়া আমেজের বাইরে গিয়ে এই প্রজেক্টটি দর্শকদের জন্য এক অনন্য সাধারণ সিনেমাটিক যাত্রা হতে যাচ্ছে।