তারকাদের বর্তমান ঝকঝকে জীবনের আড়ালে লুকিয়ে থাকে কঠোর পরিশ্রম আর না বলা সংগ্রামের ইতিহাস। ক্যারিয়ারের চূড়ায় পৌঁছে আজ তাঁরা কোটি কোটি রুপির মালিক কিংবা লাখ টাকার পারিশ্রমিক পেলেও শুরুটা কিন্তু এত মসৃণ ছিল না। ঢালিউড ও নাট্যাঙ্গনের শীর্ষ অভিনেত্রীদের প্রথম পারিশ্রমিক ছিল খুবই সামান্য, এমনকি কারও কাছে তা ছিল নিছক এক অভিজ্ঞতা। তবে সেই প্রথম অর্জনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নানা স্মৃতি ও আবেগ। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কবরী, পূর্ণিমা, মেহজাবীনদের মতো নন্দিত তারকাদের ক্যারিয়ারের প্রথম পারিশ্রমিকের স্মৃতিময় গল্প।

বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিষ্টি মেয়ে’ খ্যাত কিংবদন্তি অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী ১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসে অভিনয় করা এই কালজয়ী ছবির জন্য তিনি পেয়েছিলেন ১১১১ টাকা, যা তিনি তুলে দিয়েছিলেন বাবার হাতে। অন্যদিকে, অভিনেত্রী রোজিনা ‘জানোয়ার’ সিনেমায় না ভেবেই হুট করে একটি ছোট্ট ট্রেইনারের দৃশ্যে অভিনয় করে পেয়েছিলেন ১০ টাকা পারিশ্রমিক।

ছোট ও বড় পর্দার অন্য তারকাদের শুরুটাও ছিল বেশ বৈচিত্র্যময়। ১৯৯৭ সালে ‘এ জীবন তোমার আমার’ দিয়ে চলচ্চিত্রে এসে প্রথম ছবিতেই ১ লাখ টাকা পারিশ্রমিক পেয়ে মার হাতে তুলে দেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। আবার মেহজাবীন চৌধুরী তাঁর প্রথম নাটক ‘তুমি থাকো সিন্ধু পাড়ে’-তে কাজ করে পেয়েছিলেন ১৫ হাজার টাকা। আর কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই হুট করে নাটকে পা রাখা কেয়া পায়েল ২০১৮ সালে ‘একটাই আমার তুমি’ নাটকে অভিনয় করে পারিশ্রমিক পান ১০ হাজার টাকা। প্রথম উপার্জনের এই গল্পগুলোই আজ তাঁদের সাফল্যের ভিত তৈরি করে দিয়েছে।