ঢালিউড অভিনেতা জায়েদ খানের এক ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল ব্যাপক কৌতূহল। পোস্টারে দেখা যায়, তার কাঁধে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। সেই ছবি শেয়ার করে জায়েদ লিখেছিলেন, “আসলে কী হচ্ছে এটা? মেয়র জোহরান মামদানি আমার কাঁধে হাত রাখছে? চমৎকার!”
পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই শুরু হয় নানা আলোচনা। সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দিনও একই পোস্টার শেয়ার করে লেখেন, “এবার দেখার পালা কে বড় অভিনেতা।” এরপরই নেটিজেনদের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে এটি কি কোনো আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ, নাকি নতুন কোনো কাজের ইঙ্গিত?
অবশেষে মিলেছে সেই রহস্যের উত্তর। জানা গেছে, জায়েদ খান ও জোহরান মামদানিকে একসঙ্গে দেখা যাবে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে। ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ এপিসোড ২’ নামের এই প্রজেক্টটি পরিচালনা করেছেন জন কবির ও সাদ আল আমীন। মূলত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনসংগ্রাম ও অভিজ্ঞতা নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিরিজটি। প্রথম পর্ব গত মার্চে মুক্তি পেয়েছিল এবং দ্বিতীয় পর্ব মুক্তি পাবে আগামী ২৭ মে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’ এর ইউটিউব ও ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে।
জায়েদ খান জানিয়েছেন, এই শর্টফিল্মে জোহরান মামদানি সরাসরি তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন। তার ভাষায়, বিশ্বজুড়ে পরিচিত ও প্রভাবশালী একজন মেয়রের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার জন্য গর্বের।
মেয়রকে এই প্রজেক্টে যুক্ত করার পেছনের গল্পও তুলে ধরেন অভিনেতা। জায়েদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘ঠিকানা’র রুহিন হোসেন ও তার সহধর্মিণী আনুভা শাহীন হোসেন ই-মেইলের মাধ্যমে মামদানির কাছে প্রজেক্টের বিস্তারিত পাঠান। পরে মেয়রের কার্যালয় থেকে সময় পাওয়া গেলে নির্ধারিত দিনেই শুটিং সম্পন্ন হয়।
জায়েদের ভাষ্যমতে, শুটিং সেটে জোহরান মামদানি ছিলেন বেশ আন্তরিক এবং পরিচালকের নির্দেশনা মেনে অভিনয় করার চেষ্টা করেছেন। তার মতে, পুরো কাজটি মেয়রও উপভোগ করেছেন।
অর্থাৎ পোস্টার ঘিরে যে রহস্য তৈরি হয়েছিল, সেটি কোনো সৌজন্য সাক্ষাৎ নয় বরং একই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ের কারণেই এক ফ্রেমে দেখা যাচ্ছে জায়েদ খান ও জোহরান মামদানিকে।