সন্তান জন্মের পর স্বাভাবিকভাবেই শরীর ও চেহারায় পরিবর্তন এসেছে বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের। তবে সেই পরিবর্তন নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের মুখে পড়েছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি মুম্বাইয়ের গণপতি উৎসবে তার উপস্থিতির পর চেহারা ও ওজন নিয়ে নানা মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে।
এমন পরিস্থিতিতে ক্যাটরিনার পাশে দাঁড়িয়েছেন তার প্রাক্তন প্রেমিক ও দীর্ঘদিনের বন্ধু সালমান খান। বহু বছর আগে তাদের সম্পর্কের ইতি ঘটলেও পরস্পরের প্রতি সম্মান ও বন্ধুত্বের জায়গাটি এখনো অটুট রয়েছে বলে বলিউডে পরিচিত এই দুই তারকা।
‘বিগ বস ২০’-এর সাম্প্রতিক ‘উইকএন্ড কা ওয়ার’ পর্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ট্রোলিং সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলেন সালমান। যদিও ক্যাটরিনার নাম সরাসরি নেননি তিনি, তবে সন্তান জন্মের পর নারীদের শরীর ও ওজন নিয়ে কটাক্ষের প্রসঙ্গটি স্পষ্টভাবেই তুলে ধরেন।
সালমান বলেন, গর্ভধারণের পর একজন নারীর ওজন বেড়ে যাওয়া স্বাভাবিক। সন্তান জন্মের পর শরীরে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন আসতেই পারে। পরবর্তীতে সিনেমায় ফিরলে আবারও ফিট হয়ে ওঠার সুযোগ রয়েছে। তাই এ ধরনের বিষয় নিয়ে কাউকে ট্রোল করার কোনো কারণ দেখেন না তিনি।
অভিনেতার মতে, একজন নারী সন্তান জন্মের পর পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে চাইতেই পারেন। তার সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান না করে চেহারা কিংবা ওজন নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়।
সালমানের বক্তব্যে ক্যাটরিনার নাম উল্লেখ না থাকলেও অনেকেই এটিকে সম্প্রতি অভিনেত্রীকে ঘিরে চলা ট্রোলিংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন। বিশেষ করে মা হওয়ার পর ক্যাটরিনার চেহারা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্যের পর সালমানের এমন বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এদিকে নিজের চেহারা ও বয়স নিয়েও দীর্ঘদিনের ট্রোলিংয়ের প্রসঙ্গ তুলেছেন সালমান। বয়স বাড়ার সঙ্গে চেহারায় পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
একপর্যায়ে নিজের টুপি ও টি-শার্ট খুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে কটাক্ষ করা নেটিজেনদের জবাব দেন সালমান। তার বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল, বয়স কিংবা শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে কাউকে উপহাস করার প্রবণতার সঙ্গে তিনি একমত নন।