‘চেক বাউন্স’ মামলায় জেলে যাওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বিষয়টি শুধু ৫ কোটি রুপির ঋণ না সময়ের সঙ্গে সুদ ও অন্যান্য কারণে সেই অঙ্ক বেড়ে ১৭ থেকে ২২ কোটিতে পৌঁছে যায়। আর এই আর্থিক চাপে পড়ার মূল কারণ ছিল তার প্রযোজিত সিনেমার ব্যর্থতা।
রাজপাল বলেন, “অনেকে ভাবেন, এতদিন অভিনয় করেও ৫ কোটি শোধ করতে পারিনি! কিন্তু বিষয়টা তা নয়। যদি শুধু ওই টাকাই হতো, ২০১২ সালেই পরিশোধ করে দিতাম।”
তিনি আরও জানান, তার প্রযোজিত আতা পাতা লাপাতা সিনেমাটি নির্মাণে প্রায় ২২ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল। কিন্তু বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন তিনি, যা তাকে আর্থিক সংকটে ফেলে।
প্রতারণার অভিযোগ প্রসঙ্গে রাজপালের বক্তব্য, চলচ্চিত্র জগতে সব সিনেমা সফল হয় না। তার ভাষায়, “১০০টির মধ্যে ২০টি ছবি সফল হয়, বাকি ৮০টি ব্যর্থ হয়। একটি ছবি ব্যর্থ হলেই তা প্রতারণা নয়।”
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে দিল্লির একটি সংস্থা থেকে ঋণ নেন রাজপাল যাদব। পরে তা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ২০১৮ সালে আদালত তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়, যা ২০১৯ সালে বহাল রাখা হয়। পরবর্তীতে সুদসহ ঋণের পরিমাণ আরও বেড়ে যায়।
সব মিলিয়ে, পর্দায় মানুষকে হাসালেও বাস্তব জীবনে কঠিন সময় পার করতে হয়েছে এই জনপ্রিয় অভিনেতাকে।