ঘরোয়া পদ্ধতি হলেও তা মোটেই আরামদায়ক নয় এমনটাই মনে করেন চিত্রাঙ্গদা সিং। তার মতে, ফেশিয়াল বা দামি ক্রিম ব্যবহার করা সহজ এবং ঝামেলাহীন হলেও সেগুলোর ওপর ভরসা নেই তার। বরং গত আড়াই বছর ধরে কিছুটা ‘কঠিন’ পথ অনুসরণ করেই উপকার পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন এই বলিউড অভিনেত্রী।

২০০৩ সালে মুক্তি পাওয়া হাজারো খোয়াইশে অ্যায়সি ছবির মাধ্যমে দর্শকদের নজরে আসেন তিনি। এখন তার বয়স ৫০ এই বয়সে অনেকে যেখানে প্রসাধনী বা চিকিৎসা নির্ভর সৌন্দর্যচর্চায় বিশ্বাসী, সেখানে চিত্রাঙ্গদার মত আলাদা। তার বিশ্বাস, সৌন্দর্য ধরে রাখতে জটিল কিছু নয়, বরং নিয়মিত ও সচেতন জীবনযাপনই যথেষ্ট। তবে সেই পদ্ধতি সহজসাধ্য নয় বলেই স্পষ্ট জানালেন তিনি। তার ভাষায়, “সহজ উপায়ে সবসময় আসল ফল মেলে না; কখনও কখনও কষ্ট স্বীকার করতেই হয়।”

তার দৈনন্দিন রুটিনও বেশ ব্যতিক্রমী। অর্ধেক করলা, একটি বিট এবং পাঁচটি আমলকী এই তিন উপাদানই তার সৌন্দর্যচর্চার মূল ভিত্তি। প্রতিদিন ভোরে উঠে কোল্ড-প্রেস পদ্ধতিতে এগুলোর রস বের করেন তিনি। এই হাইড্রোলিক প্রেস পদ্ধতিতে ফল ও সবজির পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন থাকে বলে মনে করেন চিত্রাঙ্গদা।

তার মতে, এভাবে প্রস্তুত করা রসে পর্যাপ্ত ফাইবার থাকে, যা শরীর থেকে দূষিত উপাদান বের করে দিতে সহায়তা করে। সৌন্দর্য আর সুস্থতার জন্য ভেতর থেকে ডিটক্স করাকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই রস পান করাই তার নিয়ম।

চিত্রাঙ্গদার কথায়, গত আড়াই বছরে বাহ্যিক প্রসাধনের চেয়ে শরীরের অভ্যন্তরীণ যত্নেই বেশি জোর দিয়েছেন তিনি। শরীর সুস্থ থাকলে তার প্রভাব চেহারাতেও পড়ে এই বিশ্বাসেই এগিয়ে চলেছেন তিনি। চাইলে আপনিও স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক এই রুটিন অনুসরণ করে দেখতে পারেন।