ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি অনন্ত জলিলবর্ষা দীর্ঘদিন ধরেই চলচ্চিত্রের পাশাপাশি নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত। যদিও বর্তমানে ব্যবসায়িক ব্যস্ততায় তারা কিছুটা পর্দার বাইরে, তবে এবার নতুন এক ইঙ্গিত দিলেন অনন্ত রাজনীতিতে দেখা যেতে পারে বর্ষাকে।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অনন্ত জলিল জানান, বর্ষা দীর্ঘদিন ধরে নীরবে মানুষের সেবামূলক কাজ করে আসছেন। তাই তার মতে, মানুষের সেবায় রাজনীতিতে আসা বর্ষার জন্য স্বাভাবিক একটি পথ হতে পারে।

অনন্ত বলেন, “আজ না হোক কাল, বর্ষা রাজনীতিতে আসবেই। আমি মনে করি, সে একজন ভালো নেত্রী হতে পারবে। তার প্রশাসনিক দক্ষতা এবং মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বর্ষা যখন গ্রামে যান, তখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করেন। অনেক সময় নিজ হাতে অর্থ বিতরণ করেন এবং সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো শোনেন। অনন্তর ভাষায়, “সে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত, কখনো ৮-৯ ঘণ্টা ধরে মানুষের পাশে থাকে। অন্যরা যেখানে দায়িত্ব দিয়ে চলে যায়, সে নিজে দাঁড়িয়ে কাজ করে।”

সংবাদ সম্মেলনে অনন্ত জলিল নিজের অবস্থান নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, “আমরা সব সময় নিরপেক্ষ থেকেছি এবং ভালো কিছুর পক্ষে থেকেছি। আমি যদি সৎ থাকি, তাহলে আমাকে দেশ ছাড়তে হবে কেন? সৎ পথে থেকেও তো নেতৃত্ব দেওয়া যায়।”

সব মিলিয়ে, অনন্ত জলিলের বক্তব্যে স্পষ্ট শুধু চলচ্চিত্র নয়, সমাজসেবা ও সম্ভাব্য রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন অধ্যায় শুরু করতে পারেন বর্ষা। এখন দেখার বিষয়, কবে নাগাদ সেই পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নেয়।