‘কেজিএফ’-এর ইতিহাস গড়া সাফল্যের পর চার বছরের দীর্ঘ বিরতি ভেঙে প্রেক্ষাগৃহে ফিরেছেন কন্নড় সুপারস্টার যশ। গীতু মোহনদাসের পরিচালনায় আজ বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে তাঁর বহুল আলোচিত সিনেমা ‘টক্সিক: আ ফেইরিটেল ফর গ্রোন-আপস’। সিনেমাটিকে ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে যেমন ঝড় উঠেছিল, মুক্তির প্রথম দিনই দর্শকমহলেও তেমনই তুমুল উত্তেজনা দেখা গেছে। তবে সিনেমা দেখার পর চিত্রটা অনেকটাই বদলে গেছে; অধিকাংশ সমালোচকের প্রতিক্রিয়াতেই ফুটে উঠেছে তীব্র হতাশা।

সমালোচকদের মতে, বিশাল বাজেট, চমকপ্রদ অ্যাকশন দৃশ্য ও যশের স্টাইলিশ লুক থাকলেও সিনেমাটির মূল ভিত্তি অর্থাৎ ‘গল্প’ ও আবেগের অভাব স্পষ্ট। ‘বলিউড হাঙ্গামা’ সিনেমাটিকে ৫-এর মধ্যে মাত্র ২ রেটিং দিয়ে মন্তব্য করেছে যে, স্টাইল থাকলেও ছবিটিতে গভীরতা নেই। অন্যদিকে ‘হিন্দুস্তান টাইমস’ সিনেমাটিকে ‘আত্মাহীন’ ও দর্শকের জন্য ‘দুঃস্বপ্ন’ আখ্যা দিয়ে ১ রেটিং দিয়েছে। তাদের মতে, প্রায় ৩ ঘণ্টা ১৪ মিনিটের এই চলচ্চিত্রে যশের চরিত্র ‘রায়া’কে অপরাজেয় রূপ দিতে গিয়ে কাহিনীর মূল গতি হারিয়ে গেছে। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ (১.৫) ও ‘এনডিটিভি’ (৩) সিনেমাটির কাস্টিং ও ভিএফএক্সের প্রশংসা করলেও এটিকে একটি সার্থক ‘গ্যাংস্টার মহাকাব্য’ হিসেবে মানতে নারাজ।

অবশ্য নেতিবাচক পর্যালোচনার মাঝেও যশের নায়কোচিত অভিনয় ও সোয়্যাগ দর্শক টেনে রাখছে। এছাড়া কিয়ারা আদভানির পারফর্মেন্স সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত হয়েছে। নয়নতারা, তারা সুতারিয়া ও হুমা কুরেশির মতো বড় তারকাদের পর্যাপ্ত স্ক্রিন টাইম না দেওয়ার বিষয়েও উঠেছে প্রশ্ন। তবে দুর্বল চিত্রনাট্য সত্ত্বেও ভালো সিনেমাটোগ্রাফি ও অ্যাকশনের কারণে ‘টক্সিক’ বক্স অফিসে কতটা টিকতে পারে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।