মালয়েশিয়ায় ‘জননায়গন’ ছবির বিশাল অডিও লঞ্চের রেশ কাটতে না কাটতেই থালাপতি বিজয়ের আসন্ন রাজনৈতিক অ্যাকশন ছবিটির টিকিট বুকিং শুরু হয়েছে। মুক্তির এখনো এক সপ্তাহ বাকি, এমনকি কোনো অফিসিয়াল ট্রেলারও প্রকাশ পায়নি। তবু টিকিট কাউন্টারে ছবিটি ইতিমধ্যেই চমক দেখাচ্ছে।
ইন্ডাস্ট্রি ট্র্যাকার স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, প্রিমিয়ার শোসহ উদ্বোধনী দিনের অগ্রিম বিক্রি থেকেই বিশ্বজুড়ে ছবিটির আয় পৌঁছেছে প্রায় ১৫ কোটি রুপিতে। শুরুতেই এমন সাড়া সাধারণত খুব কম ছবির ক্ষেত্রেই দেখা যায়।
বিদেশের বাজারে আগ্রহ আরও বেশি চোখে পড়ছে। শুধু অগ্রিম বুকিং থেকেই বিদেশে ‘জননায়গন’ আয় করেছে আনুমানিক ১১ থেকে ১২ কোটি রুপি। উত্তর আমেরিকা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ায় বড় অঙ্কের বিক্রি হয়েছে, যেখানে বিজয়ের ভক্তভিত্তি বরাবরই শক্তিশালী।
ভারতে আপাতত ছবিটির অগ্রিম আয় তুলনামূলক কম, প্রায় তিন কোটি রুপি। তবে এর পেছনে একটি বড় কারণ রয়েছে। বর্তমানে কেবল কর্ণাটক ও কেরালায় টিকিট বুকিং চালু হয়েছে। ট্রেড ট্র্যাকারদের মতে, তামিলনাড়ু ও দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে বুকিং শুরু হলেই বিক্রিতে বড় লাফ দেখা যাবে। কারণ প্রথম দিনের আয়ে এই অঞ্চলগুলোর ভূমিকা সাধারণত নির্ধারক হয়ে থাকে।
এদিকে বিভিন্ন কারণেই ‘জননায়গন’ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার আগে এটিই থালাপতি বিজয়ের শেষ ছবি এটাই সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। পাশাপাশি ছবিটি নন্দমুরি বালাকৃষ্ণ অভিনীত ‘ভগবন্ত কেশরী’র রিমেক কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন পরিচালক এইচ বিনোথ। তিনি বলেন, ‘অডিও লঞ্চে আমি যা বলেছিলাম, সেটাই আবার বলছি। গল্পটি যদি “ভগবন্ত কেশরী”র রিমেক হয়, কিছু দৃশ্য সেখান থেকে নেওয়া হয় কিংবা কোনো একটি দৃশ্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়। যাই হোক না কেন, দর্শকদের এটা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটি একটি থালাপতি বিজয় ছবি। কেউ ভাবতে পারেন, “আমি তো আসল ছবিটা দেখেছি, তাহলে এটা কেন দেখব?” আবার কেউ বিরক্তও হতে পারেন। তাঁদের বলব, অন্তত একটি শো দেখুন। তখনই নিজের উত্তর পেয়ে যাবেন। সামনে টিজার, ট্রেলার আর গান আসবে তখন সবকিছু আরও পরিষ্কার হবে। আপাতত আমি আর কিছু বলছি না।’