জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস (BTS) ২০২৭ সালের গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে নিজেদের গান জমা না দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর, নতুন চালু করা ‘বেস্ট এশিয়ান পপ মিউজিক পারফর্মেন্স’ ক্যাটাগরিটি পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে গ্র্যামি প্রদানকারী সংস্থা রেকর্ডিং একাডেমি। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হার্ভে মেসন জুনিয়র জানান, এশীয় সংগীতশিল্পী এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার পর এটি স্পষ্ট যে নতুন ক্যাটাগরিটি অনেক শিল্পীর কাজকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারছে না।
হার্ভে মেসন জুনিয়র এক বিবৃতিতে বলেন, "গ্র্যামির মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ব সংগীত জগতের সবার সেবা করা এবং কোনো সম্প্রদায় যাতে উপেক্ষিত বা ভুল বোঝার শিকার না হয় তা নিশ্চিত করা। বিগত দুই সপ্তাহের আলোচনায় এটা স্পষ্ট হয়েছে যে, আমাদের উদ্দেশ্য সৎ হলেও এই ক্যাটাগরিটি কিছু শিল্পীর কষ্টার্জিত সৃষ্টিকে তাঁদের কাঙ্ক্ষিত উপায়ে তুলে ধরতে ব্যর্থ হচ্ছে।"
বিলবোর্ডের তথ্যানুসারে, কে-পপ, জে-পপ, সি-পপ এবং ভারতীয় সংগীত অঙ্গনের বিভিন্ন শিল্পীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে গ্র্যামি কর্তৃপক্ষ। গত জুন মাসে প্রথম যখন ‘বেস্ট এশিয়ান পপ মিউজিক পারফর্মেন্স’ ক্যাটাগরিটি চালু করা হয়, তখনই এটি নিয়ে নানা সমালোচনা শুরু হয়। এশীয় শিল্পীদের আলাদা করে দেওয়ার ফলে গ্র্যামির মূল বা সাধারণ ক্যাটাগরিগুলোতে (General Categories) তাঁদের বিজয়ী হওয়ার সুযোগ কমে যাবে বলে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন।
এর আগে বিটিএস সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, সংগীতকে আঞ্চলিকতা বা ভাষার বেড়াজালে না আটকে সার্বজনীনভাবে ভালোবাসা উচিত এই ভাবনা থেকেই তারা ২০২৭ সালের গ্র্যামি প্রক্রিয়ায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের এই অবস্থানকে সম্মান জানিয়ে দ্রুত পরিবর্তন আনার আশ্বাস দিয়েছে গ্র্যামি কর্তৃপক্ষ।