বলিউডের অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী ফরিদা জালাল দীর্ঘ অভিনয়জীবনে নায়িকার বদলে পার্শ্বচরিত্রেই বেশি দেখা গিয়েছেন বিশেষ করে মা, বোন বা দিদিমার ভূমিকায়। তবে এই সীমাবদ্ধতা তিনি নিজে থেকেই বেছে নিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন।
ক্যারিয়ারের শুরুতে তাকে প্রায়ই নায়কের বোনের চরিত্রে অভিনয় করতে হতো। ধীরে ধীরে তিনি সিদ্ধান্ত নেন, নির্দিষ্ট একটি গণ্ডির মধ্যেই কাজ করবেন। তার মতে, এই সীমার মধ্যেও শক্তিশালী অভিনয়ের সুযোগ থাকে এবং সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেন।
তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলেই আজও তিনি কাজ করে যেতে পারছেন। তার মতে, সাফল্য শুধু বড় চরিত্রে নয়, বরং সম্মান ও দর্শকের ভালোবাসার মধ্যেও নিহিত।
ফরিদা জালাল আরও মনে করেন, সেই সময়ের চলচ্চিত্রে নায়িকাদের চরিত্র তুলনামূলকভাবে সীমিত ছিল অনেক ক্ষেত্রে তারা শুধু গান নাচের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতেন। সে তুলনায় পার্শ্বচরিত্রে থেকেও অভিনয়ের বিস্তৃত সুযোগ পাওয়া যেত।
তার ক্যারিয়ারের অন্যতম জনপ্রিয় সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ ও ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’। পাশাপাশি টেলিভিশন সিরিজ ও সাম্প্রতিক কাজেও তিনি নিজের অভিনয় দক্ষতার ছাপ রেখে চলেছেন।
তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন, তার ক্যারিয়ারে সাফল্যের বড় অংশ এসেছে করণ জোহর ও আদিত্য চোপড়ার মতো নির্মাতাদের কাজের মাধ্যমে। তাদের ছবিগুলো তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দিয়েছে, যা আজও দর্শকের মনে গেঁথে আছে।