বলিউড অভিনেতা
লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হিটলিস্টে থাকা সালমান খানের পাশাপাশি আমির খান ও ইমরান হাশমির বাড়িতেও নজরদারি চালানোর নির্দেশ পেয়েছিল অভিযুক্তরা। তবে আমির খান দক্ষিণ মুম্বাইয়ে চলে যাওয়ায় এবং ইমরানের বাড়ি শনাক্ত করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত সামাজিক মাধ্যমে রিলস দেখে ফুটবল খেলতে যাওয়া টাইগার শ্রফকেই হামলার লক্ষ্যবস্তু বানায় তারা। গত ১৮ অক্টোবরের ওই গুলিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।